মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের ঘোষণা: গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর ঘোষণা: গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ যাত্রা শুরু

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর ঘোষণা: গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ঘোষণা দিয়েছেন যে, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে। তিনি রোববার (২২ মার্চ) টাঙ্গাইল সার্কিট হাউসে সরকারি কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

গণতন্ত্রের জন্য বিএনপির সংগ্রাম

মন্ত্রী আহমেদ আযম খান উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রের জন্য প্রয়াত আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি ১৮ বছর ধরে সংগ্রাম চালিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা অনেক আন্দোলন, সংগ্রাম করেছি। অনেক ত্যাগ ও রক্ত দিয়েছি।” এই সংগ্রামের ফলস্বরূপ, এখন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ যাত্রা শুরু করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে।

তিনি আরও যোগ করেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটিসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই গণতন্ত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয় সুষ্ঠু ও সফলভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি

আহমেদ আযম খান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আমাকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ায় তাকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে মন্ত্রণালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাবো।” তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দেওয়ারও অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

জাতীয় দিবস উদযাপন ও মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব

২৬ মার্চ জাতীয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী সফলভাবে পরিচালনা করা হবে। তিনি ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্মের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়া, ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও পঙ্গু ব্যক্তিদের বিষয়েও মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে তিনি জানান। “তাদের বিষয়েও আমরা খুব আন্তরিক এবং দেখভাল করার দায়িত্ব আমাদের রয়েছে,” বলেছেন মন্ত্রী।

উপস্থিতি ও সমর্থন

এই অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি এই ঘোষণার গুরুত্ব ও সমর্থনকে আরও জোরদার করেছে।

মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের এই বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।