প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে ড. ইউনূসের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়
প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে ড. ইউনূসের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়

প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে ড. ইউনূসের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়

ঈদুল ফিতরের পবিত্র দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হৃদ্যতাপূর্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬ তারিখে দুপুর ১২টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই বিশেষ সাক্ষাৎকারের আয়োজন করা হয়।

পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী ডা. জোবায়দা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং ভাই প্রয়াত আরাফাত রহমানের স্ত্রী শর্মিলা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, সাক্ষাতে উভয় পক্ষ একে অপরের খোঁজ-খবর নেন, আনন্দঘন আড্ডায় মেতে ওঠেন এবং স্মরণীয় মুহূর্ত ধরে রাখতে একসঙ্গে ছবি তোলেন।

জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের বার্তা

এই সাক্ষাতে জাতীয় ঐক্য, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক ধারা আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ঈদের এই পবিত্র মুহূর্তে দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী এবং ড. ইউনূস। পাশাপাশি, জনগণের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঈদের অন্যান্য কর্মসূচি

এর আগে, একই দিন সকাল সাড়ে আটটায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণের পর তিনি সরাসরি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফিরে আসেন। সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের ঢল নামে। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ব্যক্তিদের জন্য সকাল সাড়ে আটটায় মূল ফটক উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনস্রোতে পরিণত হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশে ছিলেন তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অত্যন্ত হাসিমুখে আগত অতিথিদের সঙ্গে হাত মেলান এবং ঈদের শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এই ঘটনাটি রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও জাতীয় সংহতির একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।