ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায়, বিকল্প বায়তুল মোকাররম
ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায়

ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায়

রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির দলীয় সূত্র অনুযায়ী, এই জামাতে নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়াও মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।

বৃষ্টির বিকল্প ব্যবস্থা বায়তুল মোকাররমে

যদি আবহাওয়া প্রতিকূল হয় বা বৃষ্টির কারণে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় সম্ভব না হয়, তাহলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সম্ভাবনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে, যাতে ঈদের নামাজে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সার্বিক প্রস্তুতি

ঈদের কেন্দ্রীয় জামাতকে ঘিরে ইতোমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে নগরবাসী নির্বিঘ্নে জামাতে অংশ নিতে পারেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) জানিয়েছে, জাতীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণে ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, বৃষ্টি হলেও যাতে নামাজ আদায়ে বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য প্যান্ডেলে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কয়েক স্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে।

তিনি আরও জানান, জনসমাগম ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জাতীয় ঈদগাহ সংলগ্ন সড়কগুলোতে ট্রাফিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আলাদা জামাত

অন্যদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) জানিয়েছে, আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। গত রবিবার (১৫ মার্চ) ডিএনসিসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

এই ব্যবস্থাগুলো নেওয়া হয়েছে যাতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মানুষ সুবিধামতো স্থানে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন এবং ঈদের আনন্দ নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে পারেন।