স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬: খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান মনোনীত
সরকার স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ পদকের জন্য মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করেছে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।
খালেদা জিয়ার মনোনয়নের কারণ
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারীশিক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। তার এই স্বীকৃতি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অন্যান্য মনোনীত ব্যক্তিবর্গ
মনোনীত ব্যক্তিদের তালিকায় আরও রয়েছেন:
- মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর)
- আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর)
- হানিফ সংকেত
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর)
মনোনীত প্রতিষ্ঠানসমূহ
মনোনীত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র অন্যতম। এছাড়া আরও চারটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক বিতরণী অনুষ্ঠান আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এ উপলক্ষে একটি জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেবেন।
এমনকি, পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান যাচাই-বাছাই করছে।
সরকারের প্রতিক্রিয়া
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, "স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। এবারের মনোনয়নে আমরা জাতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই পুরস্কার বাংলাদেশের সংস্কৃতি, রাজনীতি ও সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এই মনোনয়ন দেশের বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে রাজনৈতিক অঙ্গনে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
