ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন বিজয়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের সাথে বৈঠক
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের সাথে বৈঠক

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের সাথে বৈঠক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর ইতিবাচক ধারার রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে আজ রোববার সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭ টায় জামায়াত আমির ও রাত ৮ টায় নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন তিনি।

বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ইতিবাচক ধারার রাজনীতি রোববার থেকে সূচনা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে এদিন সন্ধ্যায় ৭টায় ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের বাসায় যাবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এরপর রাত ৮টার দিকে তিনি বাড্ডায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যাবেন।

গতকালের সংবাদ সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা

এর আগে, গতকাল শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্য ও সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তারেক রহমান। এছাড়াও, বিএনপি সরকার গঠনের পর অবশ্যই দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করা হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেশ এবং দেশের মানুষের স্বার্থ সবার আগে দেখা হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে বিএনপি সরকার আইনী পথে হাটবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

নির্বাচনী ফলাফলের বিশ্লেষণ

দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয়। এর মধ্যে ২৯৭ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এসব আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয় পেয়েছে।

ফল ঘোষণা স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। তাদের শরিকরা পেয়েছে তিনটি আসন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অন্য শরিকেরা পেয়েছে ৯টি আসন।

এই বৈঠকগুলোর মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় জামায়াত ও এনসিপির সাথে রাজনৈতিক সমঝোতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।