কুমিল্লায় সড়ক নির্মাণ বিরোধের জেরে যুবলীগ নেতাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
কুমিল্লায় সড়ক বিরোধে হত্যা, যুবলীগ নেতাসহ ১৫ জনের মামলা

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার তুলাতুলি গ্রামে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন যুবলীগের এক নেতাসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা হয়েছে।

নিহতের পরিচয় ও মামলা

নিহত দেলোয়ার হোসেন মৃধা তুলাতুলি গ্রামের আবদুর রহমান মৃধার ছেলে। হত্যার ঘটনায় নিহতের বড় ভাই ও মুক্তপাঠ পত্রিকার প্রতিবেদক আবদুল বাতেন মৃধা বাদী হয়ে গতকাল রোববার রাতে মেঘনা থানায় মামলা করেন। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও আট থেকে ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, একটি গ্রামীণ সড়ক নির্মাণকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। নিহতের বড় ভাই থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাদীর অভিযোগ

নিহতের বড় ভাই আবদুল বাতেন মৃধার অভিযোগ, তাঁর ফসলি জমির ওপর দিয়ে চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন নতুন একটি গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করেন। তিনি সড়কটি জমির ওপর দিয়ে না নিয়ে পাশ দিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানান। এতে নাছির উদ্দিন ক্ষুব্ধ হন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টির সমাধান করেন। তবে নাছির উদ্দিন তা মেনে নিতে পারেননি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হামলার ঘটনা

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ও তাঁর ছোট ভাই দেলোয়ার হোসেন পুরোনো বাড়ি থেকে নতুন বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা নাছির উদ্দিন ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহত দুই ভাইকে উদ্ধার করেন। দেলোয়ার হোসেনকে প্রথমে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্য আহতরা

এ ঘটনায় ইউপি সদস্য নাছির উদ্দিন (৪৮), তাঁর স্ত্রীর বড় ভাই আবদুল হালিম (৫০) এবং রঘুনাথপুর গ্রামের আবদুল আজিজ (৪৫) আহত হন। তাঁদেরও মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে আবদুল আজিজের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।