বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গোলাম সারোয়ার মিলন মারা গেছেন
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গোলাম সারোয়ার মিলনের মৃত্যু

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ গোলাম সারোয়ার মিলন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি ছিলেন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন নেতাদের একজন। পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে উপমন্ত্রী হয়েছিলেন। সর্বশেষ তিনি জনতা পার্টি বাংলাদেশ নামের একটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

মৃত্যুর সময় ও পরিবার

গোলাম সারোয়ার মিলন আজ রোববার ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে তাঁর স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

জানাজার সময়সূচি

আজ বাদ জোহর মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এবং বাদ মাগরিব পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের কবিরাজ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জন্ম ও শিক্ষাজীবন

গোলাম সারোয়ার মিলনের পৈতৃক নিবাস মানিকগঞ্জে, তবে তাঁর জন্ম পুরান ঢাকায় ১৯৫৭ সালের ৬ নভেম্বর। আরমানিটোলা উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

রাজনৈতিক জীবন

১৯৭৯ সালে বিএনপির ছাত্রসংগঠন হিসেবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার সময় আহ্বায়ক কমিটির পাঁচজন যুগ্ম আহ্বায়কের একজন ছিলেন গোলাম সারোয়ার মিলন। পরে সংগঠনটির প্রথম নির্বাচিত সভাপতি হন তিনি।

গোলাম সারোয়ার মিলন পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে ১৯৮৬ সালে মানিকগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য হন, শিক্ষা উপমন্ত্রীর দায়িত্বও পান তিনি। জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যও ছিলেন তিনি।

সর্বশেষ জনতা পার্টি বাংলাদেশ নামের একটি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) জোটের প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন গোলাম সারোয়ার মিলন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শোক প্রকাশ

গোলাম সারোয়ার মিলনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। তাঁরা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।