যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম জামিনে মুক্তি পেলেন, বিএনপির ভূমিকার অভিযোগ
যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম জামিনে মুক্তি পেলেন

তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর ১২টার দিকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতের মানবিক সিদ্ধান্ত

এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন মঞ্জুর করেন। কাশিমপুর কারাগার থেকে তাকে নিতে আসা তেজগাঁও এলাকার শ্রমিকলীগের নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, "তিনি আমাদের এলাকার বড়বোন। একসঙ্গে রাজনীতি করেছি। তার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছিল, তা মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচারের কারণে আদালত মানবিক দিক বিবেচনায় জামিন দেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।"

শিল্পী বেগমের বক্তব্য

কারা ফটকে শিল্পী বেগম যুগান্তরকে বলেন, "আমাকে মব সৃষ্টি করে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাকে পুলিশ ধরতে চায়নি, বিএনপির লোকজন আমাকে ধরিয়ে দিয়েছে। আমি আওয়ামী লীগ করি কিন্তু কোনো পদ-পদবি নেই। আমাকে মুক্তি দিয়েছে এজন্য আমি আদালত ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞ।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেফতার ও কারাগারে যাওয়ার ঘটনা

উল্লেখ্য, সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে শিল্পী বেগমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মঙ্গলবার রাতে শিল্পী বেগম তার দেড় মাস বয়সি কন্যাসন্তান কাইফা ইসলাম সিমরানকে সঙ্গে নিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান। এই ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে এবং মানবিক দিকটি গুরুত্ব পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিল্পী বেগমের মুক্তি আওয়ামী লীগ ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলে স্বস্তি এনেছে। তবে বিএনপির ভূমিকা নিয়ে তার অভিযোগ রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন। আদালতের এই সিদ্ধান্ত আইনের শাসন ও মানবিক বিবেচনার একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে অনুরূপ মামলাগুলোর জন্য প্রাসঙ্গিক হতে পারে।