নোয়াখালী সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২৫ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে।
প্রশাসনিক বদলি নাকি শাস্তিমূলক?
পুলিশ প্রশাসনের দাবি, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার নোয়ান্নই ও কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই আদেশে ফেনীর সোনাগাজী থানার ওসি মো. কামরুল ইসলামকে সুধারাম মডেল থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য বদলি
এছাড়া সুধারাম থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শ্রীরাম ভট্টাচার্যকে হাতিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে এবং হাতিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমানকে সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
পুলিশের অভিযান
রোববার বিকালে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) টিএম মোশাররফ হোসেন বলেন, সুধারাম মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইনসে বদলি করা হয়েছে। এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ। গত দুই দিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৪৯ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অতিরিক্ত টহল জোরদার করেছে।



