সিদ্দারামাইয়ার রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ, নতুন সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা
সিদ্দারামাইয়ার রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের একদিন পর শুক্রবার দিল্লিতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সিদ্দারামাইয়া। বৈঠকে নতুন সরকার গঠন, মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন এবং দলে তার ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।

সিদ্দারামাইয়া তার ছেলে ওয়াইতিন্দ্রকে সঙ্গে নিয়ে সোনিয়া গান্ধীর ১০ জনপথের বাসভবনে যান, যেখানে কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সুরজেওয়ালাও উপস্থিত ছিলেন। তবে সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী উপস্থিত ছিলেন না এবং সিদ্দারামাইয়া শুধু রাহুল গান্ধীর সঙ্গেই সাক্ষাৎ করেন।

সূত্র জানায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজ্যের সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য রাহুল গান্ধীকে ধন্যবাদ জানান সিদ্দারামাইয়া। একই সঙ্গে হাইকমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি যে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন, তাও রাহুলকে অবহিত করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নতুন মন্ত্রিসভায় নিজের ছেলে ও ঘনিষ্ঠ অনুগতদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা করেন সিদ্দারামাইয়া। পাশাপাশি ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী পদসহ মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও পুনর্গঠন নিয়েও আলোচনা হয়। বিদায়ী মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য নতুন মন্ত্রিসভায় বাদ পড়তে পারেন বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এরই মধ্যে রাজ্যসভার আসন প্রত্যাখ্যান করেছেন সিদ্দারামাইয়া এবং তিনি কর্ণাটকেই থাকতে আগ্রহী বলে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় কোনও দায়িত্ব গ্রহণ না করে রাজ্য রাজনীতিতেই থাকার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

এদিকে শনিবার কংগ্রেস বিধানসভা দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেখানে নতুন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করা হবে। এর আগে কর্ণাটকের রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট সিদ্দারামাইয়ার পদত্যাগ গ্রহণ করে তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত করেন। তবে নতুন ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত তাকে দায়িত্বে থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উল্লেখ্য, দুইবারের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ২০০৬ সালে জেডি(এস) ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন।