সাংবাদিক শওকত মাহমুদ জামিনে মুক্তি
সাংবাদিক শওকত মাহমুদ সাড়ে পাঁচ মাস পর জামিনে মুক্তি

জাতীয় প্রেস ক্লাব ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি সাংবাদিক শওকত মাহমুদ সাড়ে পাঁচ মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফারুক আহমেদ তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একাধিক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে এতদিন তাকে কারাগারে রাখা হয়েছিল। আদালতে জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরীকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার করা হয়। পরে ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর মালিবাগ এলাকা থেকে শওকত মাহমুদকে আটক করে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর চলতি বছরের ৩০ মার্চ একই মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেফতার দেখানো হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলায় অভিযোগ

মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক এনায়েত করিম চৌধুরী ১৯৮৮ সালে আমেরিকায় যান ও ২০০৪ সালে আমেরিকান পাসপোর্ট পান। বর্তমানে বাংলাদেশের বৈধ অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত করার জন্য অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে ৬ সেপ্টেম্বর তিনি নিউ ইয়র্ক থেকে বাংলাদেশে আসেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলায় বলা হয়েছে, ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিন্টো রোড এলাকায় প্রাডো গাড়িতে করে ‘সন্দেহজনকভাবে’ ঘুরতে থাকেন তিনি। তাকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তার গাড়ি থামায়। কেন এখানে ঘোরাঘুরি করছেন, জানতে চাইলে তিনি পুলিশকে কোনও উত্তর দিতে পারেননি। এ জন্য তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার কাছে থেকে দুটি আইফোন জব্দ করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় ‘সন্ত্রাসবিরোধী’ আইনে মামলা করা হয়। এরপর মামলায় জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি অংশের মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশীদসহ আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।