প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক ও হৃদয়বিদারক। কেউ অপরাধ করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে। এক মাসের মধ্যেই শিশু রামিসা হত্যার বিচার করা হবে।
শিশু নির্যাতনের শাস্তি
তিনি বলেন, এই ধরনের শিশু নির্যাতন বা নারী নির্যাতন বর্তমান সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না। বর্তমান সরকার রামিসার হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ইনশাআল্লাহ আগামী এক মাসের মধ্যে নিশ্চিত করবে। সেই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড। যাতে করে ভবিষ্যতে আর কোনো ব্যক্তি এভাবে শিশু বা নারী নির্যাতন করার সাহস না পায়।
আইনের শাসন
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্যায়কারীকে শাস্তি দিতে হলে আইন-কানুন আছে। কিছু মানুষ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। তারা আইনের শাসনে বাধা দিচ্ছে। আইনকে বাধাগ্রস্ত করছে।
শনিবার (২৩ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে ময়মনসিংহের ত্রিশালে কানহর ধরার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে এক জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাজনৈতিক প্রসঙ্গ
তারেক রহমান বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য তাদের জ্বালা ধরেছে। এজন্য এ ধরনের কর্মকাণ্ড করছে। তারা কৃষকদের সমস্যা, খাল কাটা, কর্মসংস্থানের কথা বলছে না। তারা অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়। এ ধরনের অরাজক পরিস্থিতি হলে ক্ষতি কার হবে? কৃষকের-মানুষের।
তিনি বলেন, যারা দেশে অরাজকতা করছে, তাদের সঙ্গে ৫ আগস্ট বিতাড়িতদের আতাত আছে।
খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠান
সমাবেশের শুরুতেই বক্তব্য রাখেন শাজাহান নামে তৎকালীন যুবদলের স্থানীয় সভাপতি। ১৯৭৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন এই খালটি খনন করতে এসেছিলেন, তখনও তিনি তার সঙ্গে ছিলেন। সেই একই স্থানে একই খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচিতে থাকতে পেরে প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
পরে প্রধানমন্ত্রী ত্রিশাল দরিরামপুর নজরুল মঞ্চের উদ্দেশে রওনা দেন। বিকাল ৪টায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কবির স্মৃতিবিজড়িত দরিমরামপুর নজরুল মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন তিনি।



