বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিমকোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, সরকার পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিটি পদক্ষেপ ও গৃহীত সিদ্ধান্ত মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মানবতার পাশে তারেক রহমান
তিনি বলেন, যেখানেই মানবতা ভুলন্ঠিত হচ্ছে, তারেক রহমান সেখানেই মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করছেন, সাহস যোগাচ্ছেন, আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। চাঞ্চল্যকর শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের পর প্রধানমন্ত্রী সান্ত্বনা জানাতে তার বাসায় গেছেন। নিহতের বড় বোনের চাকরির ব্যবস্থা এবং দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। তার এই মানবিক উদ্যোগ সকল মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
দাউদকান্দিতে অসুস্থ নেতাকে দেখতে
ড. খন্দকার মারুফ শনিবার (২৩ মে) দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুরে দুরারোগ্য 'সারকুমা ক্যান্সারে' আক্রান্ত গুরুতর অসুস্থ কুমিল্লা (উত্তর) জেলা জাসাসের সদস্য সচিব এস.এম. মিজান পাপ্পুকে দেখতে গিয়ে সমবেত দলীয় নেতাকর্মী ও জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বিএনপি এবং স্থানীয় এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের প্রদত্ত চিকিৎসা সহায়তার নগদ অর্থ অসুস্থ এস.এম. মিজান পাপ্পুর হাতে তুলে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জসিমউদ্দিন আহমেদ, সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, কুমিল্লা (উত্তর) জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন আনন্দ, ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোরশেদ আলম ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মোসলেমউদ্দিন প্রমুখ।
মানবিক মূল্যবোধের প্রশংসা
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। তেমনিভাবে বিএনপি এবং বর্তমান সরকারও মানবিক। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ছিলো সম্পূর্ণ ফ্যাসিস্ট, নিষ্ঠুর ও অমানবিক। তারা গায়ের জোরে ক্ষমতায় থেকে জনগণের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে। দেশের গণতন্ত্র ও অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্র ধ্বংস করে পালিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, জনগণের নিরঙ্কুশ ভোটে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। সরকার দেশের উন্নয়ন, মানবিক দায়িত্ব পালন এবং মানুষকে উন্নত জীবন যাপনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছেন।
রায়পুর বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা
এর আগে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর বধ্যভূমিতে শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা ও সালাম জানান। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৩ মে রায়পুরের এই স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে এলাকার নিরীহ ১১ জন মানুষ নির্মমভাবে শহীদ হন।



