৫৭ হাজার ৪২২ হাজি দেশে ফিরেছেন, ফিরতি ফ্লাইট চলছে
৫৭ হাজার ৪২২ হাজি দেশে ফিরেছেন, ফিরতি ফ্লাইট চলছে

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে সোমবার (১৫ জুন) পর্যন্ত মোট ৫৭ হাজার ৪২২ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকা হজ অফিসের পরিচালক জানান, তিনটি নির্ধারিত বিমান সংস্থার মাধ্যমে মোট ১৩৮টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৬৭টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স ৫০টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফেরত

হজ অফিস জানিয়েছে, এ পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৩ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ১০৯ জন হাজি ১৩৮টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন। এয়ারলাইন্স-ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৬৭টি ফ্লাইটে ২৪ হাজার ৪৯৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ৫০টি ফ্লাইটে ১৯ হাজার ৮২৭ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ২১টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৩৮০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

হজ অফিসের পরিচালক জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইন্সগুলোর মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হজকালীন মৃত্যু ও চিকিৎসা

এ বছর হজের সময় সৌদি আরবে ৩৫ জন পুরুষ ও ১৭ জন নারীসহ মোট ৫২ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৪ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। হজ বুলেটিন অনুযায়ী, বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মোট ৪১৫ জন হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১৫ জন হাজি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

এছাড়া সৌদি আরবের মেডিকেল সেন্টারগুলো ৬৪ হাজার ৭৫১ জন হাজিকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনায় আইটি হেল্প ডেস্ক ২৭ হাজার ৯২০ জন হাজিকে সেবা প্রদান করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হজ ফ্লাইটের সময়সূচি

চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে হজযাত্রী পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু হয়, যা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ কোটা

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট হজযাত্রীর কোটা ছিল ৭৮ হাজার ৫০০ জন।