পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণের ঘটনায় ইতোমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে উপজেলার আতাইকুলা ইউনিয়নের বিলকুলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মামলা সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রী ঘরের বাইরে এলে অভিযুক্ত মামুন ও জুয়েল ওড়না দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধর্ষণ করে। পরে তারা তাকে কাউকে না জানালে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়।
পরিবারের পদক্ষেপ
ছাত্রী ঘটনাটি তার মাকে জানায়। পরে মা বাদী হয়ে আতাইকুলা থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনা জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বুধবার রাতে অভিযুক্ত মামুনের বাড়িতে আগুন দেয় এবং বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে জুয়েলের বাড়ি ভাঙচুর করে।
অভিযুক্তদের পরিচয়
মামুন (৩৪) বিলকুলা গ্রামের সাজাইয়ের ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক। জুয়েল (৩৫) একই গ্রামের মৃত জমিরের ছেলে এবং তিন সন্তানের পিতা।
পুলিশের বক্তব্য
আতাইকুলা থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক রয়েছে। ভিকটিমকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।



