সীমান্তে কাউকে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সীমান্তে কাউকে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারির কারণে কাউকে অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি। শুক্রবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

পুশ-ইন প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়

যাচাই-বাছাই ছাড়া সীমান্তে কাউকে পুশ-ইন করানো কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃত প্রক্রিয়া নয় বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ১০ হাজার মানুষকে পুশব্যাকের যে দাবি করা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা বা দালিলিক প্রমাণ বাংলাদেশ সরকারের কাছে নেই বলেও তিনি জানান।

বাংলাদেশি নাগরিক ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া

মন্ত্রী বলেন, যদি ভারতের কাছে অবৈধভাবে অবস্থান করা বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকা থাকে, তবে তা কূটনৈতিক বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। বাংলাদেশ সরকার নিয়ম অনুযায়ী জাতীয়তা যাচাই করে সত্যতা সাপেক্ষে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের ফিরিয়ে নেবে। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর রাজনৈতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে সীমান্তে এ ধরনের তৎপরতা প্রদর্শনের চেষ্টা করা হতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা

বিজিবি বর্তমানে সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো অনুপ্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করতে সক্ষম বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

শহীদ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের অগ্রগতি

ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী দুটি চাঞ্চল্যকর মামলার অগ্রগতির বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি জানান, শহীদ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের প্রধান তিন অভিযুক্তকে ভারতের বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সরকার অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও আইনি পরোয়ানা ভারত সরকারের কাছে পাঠিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার

সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফেডারেল পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার মাত্র তিন দিনের মধ্যে যাবতীয় আইনি নথিপত্র প্রস্তুত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছে। বর্তমানে বেনজীর আহমেদ ইউএই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এবং বাংলাদেশ সরকার এখন সেখানকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।