মালখানা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা তৈরিতে হাইকোর্টের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ
মালখানা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা তৈরিতে হাইকোর্টের কমিটি

হাইকোর্ট সারা দেশের মালখানা ব্যবস্থাপনায় একটি নীতিমালা তৈরি করতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার (৮ জুলাই) বিচারপতি হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ তাজরুল হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

কমিটির গঠন ও দায়িত্ব

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের নেতৃত্বে ১২ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটিতে আইজিপির একজন প্রতিনিধি, কোস্ট গার্ডের একজন প্রতিনিধি, ঢাকা মহানগর পিপি, রিটকারী আইনজীবী, অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞদের রাখতে বলা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটিকে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

আদালতে শুনানি

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট সাদ্দাম হোসেন ও অ্যাডভোকেট জায়েদ বিন আমজাদ।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ববর্তী আদেশ

এর আগে ২০২৪ সালের ১৮ জানুয়ারি হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ সারা দেশের থানা ও আদালতের মালখানায় থাকা মামলার আলামতের সর্বশেষ অবস্থা জানিয়ে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিল। পুলিশ প্রধানকে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়। অন্যথায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। ওই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রিট আবেদনের প্রেক্ষাপট

২০২২ সালের ২৮ আগস্ট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী সারা দেশের মালখানা ব্যবস্থাপনায় সরকারের অবহেলাকে অবৈধ ঘোষণা চেয়ে রিট আবেদন দায়ের করেন। আবেদনে বলা হয়, সারাদেশের বিভিন্ন মালখানায় কোটি কোটি টাকা মূল্যের গাড়ি ও অন্যান্য আটক জিনিসপত্র অব্যবস্থাপনায় নষ্ট হচ্ছে। ঢাকার ১০টি থানার মালখানার ছবি ও রিপোর্ট রিটের সঙ্গে দাখিল করা হয়। বাদীরা মালখানা ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আদেশ চেয়েছেন। রিট পিটিশনাররা হলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ নোয়াব আলী, মো. মুজাহেদুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, জি এম মুজাহিদুর রহমান ও ইমরুল কায়েস।