মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড মানবতাবিরোধী মামলায়

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের গঠন

ট্রাইব্যুনাল প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এই ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য গঠিত বিশেষ আদালত হিসেবে কাজ করছে।

মামলাটির বিস্তারিত রায় এখনও প্রকাশিত হয়নি। তবে ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, ইনুকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ের পূর্ণ বিবরণ পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার প্রেক্ষাপট

এই মামলাটি জুলাই ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়া জেলায় সংঘটিত ঘটনার সাথে সম্পর্কিত। ওই সময়ে বিক্ষোভের মধ্যে ছয়জন নিহত হন। অভিযোগ ছিল, হাসানুল হক ইনু ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। পরে তদন্ত শেষে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “আমরা রায়ে সন্তুষ্ট। এটি ন্যায়বিচারের জয়। ট্রাইব্যুনাল সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।” অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুর রহিম বলেন, “আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব। ইনু নির্দোষ।”

হাসানুল হক ইনুর পরিচিতি

হাসানুল হক ইনু জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন পরিচিত মুখ। তিনি এর আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে এই মামলায় তার দণ্ডাদেশ রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই রায় দেশের আইনের শাসন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তবে আসামিপক্ষ আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।