পূর্বাচলে ৪ থানা ও ৬ তদন্তকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত: আইজিপি
পূর্বাচলে ৪ থানা ও ৬ তদন্তকেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত

পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্প এলাকায় চারটি থানা, ছয়টি তদন্তকেন্দ্র এবং দুটি পুলিশ লাইন স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (২২ নভেম্বর) রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কেন্দ্রীয় যান্ত্রিক ইয়ার্ডে নবনির্মিত বড়কাউ পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধনকালে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির এ তথ্য জানান।

পূর্বাচলে আইনশৃঙ্খলা জোরদারে সরকারের পরিকল্পনা

আইজিপি বলেন, পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্প এলাকায় আইনশৃঙ্খলা জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রকল্পের বিভিন্ন সেক্টরে ৪১টি পুলিশ বক্স স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া তিনটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ডিসি) অফিস স্থাপনের কাজও চলছে।

বড়কাউ পুলিশ ক্যাম্পের উদ্বোধন পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্প এলাকায় পুলিশি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবে চিহ্নিত। আইজিপি আশা প্রকাশ করেন, এই ক্যাম্প পূর্বাচলকে একটি পরিকল্পিত, নিরাপদ ও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও জমি বরাদ্দ

আইজিপি আলী হোসেন ফকির জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্প এলাকায় থানা ও তদন্তকেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজউক বাংলাদেশ পুলিশকে পর্যায়ক্রমে ২৯.২১ একর জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেয়। এর মধ্যে ১৮.৬৩ একর জমির দলিল সম্পন্ন হয়েছে, বাকি জমি দলিলের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। ডিএমপির অন্যান্য বিভাগের মতো এখানেও একটি পৃথক বিভাগ তৈরি করা হবে। তখন এলাকার আইনশৃঙ্খলা তত্ত্বাবধান করবেন একজন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার।

পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পের জন্য প্রায় ৬ হাজার ৫২৪টি পুলিশ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিবেচনাধীন রয়েছে বলে জানান আইজিপি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশ ক্যাম্পের গুরুত্ব ও উন্নয়ন

আইজিপি বলেন, পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন প্রকল্প এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করবে এবং শক্তিশালী পুলিশ উপস্থিতির মাধ্যমে জনগণের আস্থা তৈরি করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে পুষি পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন করা সম্ভব হবে এবং ধীরে ধীরে আরও থানা ও তদন্তকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। এতে সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।