গুলশানের ফ্ল্যাট জালিয়াতি মামলায় টিউলিপের চার্জ গঠন শুনানি পিছিয়ে ১ সেপ্টেম্বর
ফ্ল্যাট জালিয়াতি: টিউলিপের চার্জ গঠন শুনানি পেছাল

ঢাকার গুলশান-২ এলাকায় ফ্ল্যাট জালিয়াতির মামলায় ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত।

শুনানি পেছানোর কারণ

রোববার (২৮ জুন) সকালে শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালত এই তারিখ ধার্য করেন। দুদকের পক্ষের আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘আজকে মামলাটির চার্জ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে এ মামলায় জামিনে থাকা আসামি মোশাররফ হোসেনের পক্ষে চার্জ গঠন বিষয়ে শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত নতুন করে এ দিন ধার্য করেন।’

মামলার পটভূমি

এর আগে, গত ৮ এপ্রিল ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় তা ঢাকার বিশেষ জজ-৫ এ বদলির নির্দেশ দেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি টিউলিপ ও রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ওই দিন আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অবৈধ সুবিধা নিয়ে ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

অভিযোগের বিবরণ

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই অবৈধভাবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২-এর ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নম্বর-বি/২০১, বাড়ি নম্বর-৫এ ও ৫বি (পুরনো), বর্তমানে-১১৩, ১১বি (নতুন), রোড নম্বর-৭১) দখল নেন ও পরে রেজিস্ট্রি করান।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনি প্রক্রিয়া

মামলার পর চলতি বছরের জুলাইয়ে আসামি শাহ খসরুজ্জামান তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করেন। তার রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে চেম্বার আদালতে গেলেও দুদক ‘নো অর্ডার’ আদেশ পায়। গত ১১ ডিসেম্বর তদন্ত শেষে দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে দুদক।