ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় ডিবি পুলিশের হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদের (২৭) মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফেসবুকে তাঁর আটকের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ঘিরে ডিবির অভিযানের ধরন ও ইশতিয়াকের মৃত্যুর কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
ভিডিওতে কী দেখা গেছে?
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ডিবি পুলিশের একটি দল ইশতিয়াককে তাঁর বাড়ি থেকে আটক করছে। আটকের সময় পুলিশের আচরণ ও পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভিডিওতে ইশতিয়াককে হাতকড়া পরানো অবস্থায় দেখা যায় এবং তাকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তোলা হয়। স্থানীয়রা জানান, আটকের পর ইশতিয়াককে ডিবি অফিসে নেওয়া হয়, যেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
ইশতিয়াকের পরিচয়
মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ মধুখালী পৌরসভার পশ্চিম গোন্দারদিয়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ফরিদপুর আইন কলেজের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর পরিবার ও সহপাঠীরা জানান, ইশতিয়াক রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন এবং এলাকায় পরিচিত মুখ ছিলেন।
প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়া
ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে ডিবির অভিযানের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইশতিয়াকের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাঁর মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধান করে দোষীদের শাস্তি দেওয়া হোক। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারাও ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিচার দাবি করেছেন।
ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।



