ভৈরব রক্ষায় বাঁধ নির্মাণের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রী শরীফুলের
ভৈরব রক্ষায় বাঁধ নির্মাণের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

বন্দরনগরী ভৈরবকে মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা করতে বিশাল বাঁধ নির্মাণ করা হবে। এই লক্ষ্যে সরকার একটি বড় প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। প্রতি বছর নদী ভাঙনে ভৈরব বাজারের বৃহৎ অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে শত শত কোটি টাকার সম্পদ ক্ষতি হচ্ছে। পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম সোমবার দুপুরে ভৈরব বাজারের টিনপট্টি এলাকায় নদীর পাড়ে জিওব্যাগ ফেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য

প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, অতীতের সরকার ভৈরবের নদীভাঙনে কোনো কাজ করেনি। আমাদের সরকার কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন থেকে ভৈরবকে রক্ষা করতে শহরের জগনাথপুর এলাকা থেকে উপজেলার শেষ সীমানা মেন্দিপুর পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার এলাকায় একটি বিশাল বাঁধ নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে একটি প্রকল্প তৈরি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আমি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেছি। অচিরেই বাঁধের প্রকল্প তৈরির পর সরকারের বাজেটের কাজ শুরু হবে।

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিশোরগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন, বিআইডব্লিউটিএর ভৈরব-আশুগঞ্জ নদীবন্দর ও পরিবহণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. নাহিদ হোসেন, যুগ্ম পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. জসীম উদ্দিন, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম মামুনুর রশীদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি হাজি শাহিন, সাধারণ সম্পাদক ভিপি মো. মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য কর্মসূচি

এর আগে বেলা ১১টায় প্রতিমন্ত্রী কুলিয়ারচর উপজেলা হলরুমে একটি অনুষ্ঠানে কৃষকদের প্রণোদনা সার বীজ বিতরণ করেন ও ৩০ জন কৃষককে ১০ হাজার টাকা করে চেক প্রদান করেন। এরপর বিকাল ৫টায় উপজেলা হলরুমে ভৈরব বেসরকারি প্রাথমিক বৃত্তির আর্থিক বৃত্তি ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ শ্রম আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন।