কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে একটি পচে যাওয়া খণ্ডিত মরদেহ ভেসে এসেছে, যার মাথা ও দুই পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এই মৃতদেহটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনায় সৈকতে অবস্থানরত পর্যটক ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং অনেকে ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।
ঘটনার বিবরণ
রাতের বেলা সৈকতে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন বিচকর্মীরা। জোয়ারের পানির কাছে থাকা দর্শনার্থীদের নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার অনুরোধ করার সময় বিচকর্মী খোরশেদ আলম পানিতে ভাসমান খণ্ডিত শরীরটি প্রথম দেখতে পান। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি ও তার সহযোগীরা দ্রুত পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করেন।
পুলিশের তৎপরতা
তথ্য পেয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সরোয়ারের তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি বিশেষ দল সুগন্ধা পয়েন্টে পৌঁছায়। তারা পানি থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মরদেহের অবস্থা
উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, মরদেহের ওপরের অংশে কোনো মাথা ছিল না এবং কোমরের নিচের দুই পা-ও বিচ্ছিন্ন ছিল। দীর্ঘ সময় সাগরের নোনা পানিতে নিমজ্জিত থাকায় শরীরের বেশিরভাগ অংশ মারাত্মকভাবে গলে ও পচে গেছে। বিকৃত ও খণ্ডিত অবস্থায় দেহটি পুরুষ না নারী, তা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
তদন্ত প্রক্রিয়া
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, “খণ্ডিত মৃতদেহের পরিচয় উদঘাটন ও রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ বের করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ ও নিবিড় তদন্ত চলমান রয়েছে।”



