প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সাংবাদিক গ্রেফতারে দুঃখ প্রকাশ
প্রতিমন্ত্রীর সাংবাদিক গ্রেফতারে দুঃখ প্রকাশ

দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে গ্রেফতারের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। একইসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ পারস্পরিক আলোচনা ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাবে এবং গ্রেফতারকৃত সাংবাদিক দ্রুত মুক্তি পাবেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) প্রতিমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি মো. আতিকুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে তার নাম ব্যবহার করে বা তার পক্ষে দাবি করে কেউ যেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো মামলা, বিবৃতি বা অন্য কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করেছেন, সে বিষয়ে সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে প্রতিমন্ত্রীর কোনো অনুমোদন বা নির্দেশনা নেই বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী তার সম্পর্কে প্রচারিত বিভিন্ন তথ্য নিরপেক্ষভাবে যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিও অনুরোধ জানিয়েছেন। সম্প্রতি দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রেজানুর ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে গাজীপুরের গাছা এলাকার বোর্ডবাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে প্রকাশিত ও প্রচারিত বিভিন্ন তথ্যের জেরে বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ এবং দ্য নিউ নেশন পত্রিকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিনিধি তানভীর আলম রিমন গত ১৫ জুন দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের সম্পাদক-প্রকাশকসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার আরজিতে অভিযোগ করা হয়, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করে বাদী এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করা হয় এবং সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর বিভিন্ন ধারায় মামলা রেকর্ড করা হয়।

এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মামলার বাদীও একজন সাংবাদিক এবং বগুড়া প্রেসক্লাবের নির্বাচিত কোষাধ্যক্ষ। তাই এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক সমাজের দুই পক্ষের মধ্যে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি বা উত্তেজনা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে সবাইকে সংযম ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতায় বিষয়টির শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য সমাধান প্রত্যাশা করেন প্রতিমন্ত্রী।