নেত্রকোনায় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ, যুবক গ্রেফতার
নেত্রকোনায় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ, মামলা

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১১) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মুন্না (২৫) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ঘটনার বিবরণ

গত ১২ জুন রাত ১০টার দিকে শিশুটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হলে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা মুন্না শিশুটির মুখ গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে টেনে-হেঁচড়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত রান্নাঘরের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে মুন্না শিশুটির মুখ, হাত ও পা গামছা দিয়ে বেঁধে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে ধারালো ছুরি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভয়ে শিশুটি প্রথমে বিষয়টি পরিবারের কাউকে জানায়নি।

পরবর্তী পদক্ষেপ

ধর্ষণের ফলে শুরু হওয়া রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় গতকাল রোববার শিশুটি তার ফুফুকে বিষয়টি খুলে বললে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুর বাবাকে বিষয়টি অবগত করেন তিনি। ঘটনা জানার পর শিশুর বাবা ও ফুফু অভিযুক্ত মুন্নার বাবার কাছে বিচার চাইতে যান। অভিযুক্তের বাবা ঘটনাটি শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারকে চরম ভয়ভীতি দেখান এবং হুমকি দেন। পরে গতকাল রোববার রাতেই ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মুন্নার বিরুদ্ধে মোহনগঞ্জ থানায় অভিযোগ দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশ তাৎক্ষণিক তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় রাতেই মামলা গ্রহণ করে। মামলার পরপরই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গা ঢাকা দেয় মুন্না। তার ব্যবহৃত মোবাইলে কল করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য

ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় থানায় ইতোমধ্যে মামলা রুজু করা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আজ সোমবার নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও এ বিষয়ে সব আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত মুন্না গা ঢাকা দিয়েছে, তবে তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলমান রয়েছে।