ঢাকার আইনশৃঙ্খলা আধুনিকীকরণে হাইকোর্টে রিট: ডিএমপি বিভক্ত করে দুই কমিশনার নিয়োগের দাবি
ডিএমপি বিভক্ত করে দুই কমিশনার নিয়োগের দাবিতে হাইকোর্টে রিট

ঢাকার আইনশৃঙ্খলা আধুনিকীকরণে হাইকোর্টে রিট: ডিএমপি বিভক্ত করে দুই কমিশনার নিয়োগের দাবি

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) পুনর্গঠন করে পৃথক দুই জন পুলিশ কমিশনার নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এস. এম. জুলফিকার আলী জুনু এ রিট করেন।

রিটে কারা বিবাদী?

রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ডিএমপি কমিশনার, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে। এই রিটের মাধ্যমে রাজধানীর পুলিশিং কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

বর্তমান কাঠামোর সমস্যা

রিটে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকা বর্তমানে প্রশাসনিকভাবে দুইটি সিটি কর্পোরেশনে বিভক্ত। একটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং অন্যটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এ বিভাজনের পরও পুরো মহানগরের পুলিশিং কার্যক্রম এককভাবে ডিএমপির অধীনে পরিচালিত হচ্ছে, যা একজন পুলিশ কমিশনারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

রিট আবেদনে আরও বলা হয়, দ্রুত নগরায়ন, অতিরিক্ত জনসংখ্যা, অপরাধ বৃদ্ধি, যানজট ও জননিরাপত্তা সংকটের কারণে বর্তমান একক পুলিশ প্রশাসন কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে না। এই সমস্যাগুলো মোকাবিলায় একটি বিকেন্দ্রীকৃত ও দক্ষ কাঠামো অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

রিটের মূল দাবিসমূহ

রিটে ডিএমপিকে দুটি পৃথক ইউনিটে বিভক্ত করা, উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জন্য পৃথক দুই জন পুলিশ কমিশনার নিয়োগ, আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বর্তমান অকার্যকর কাঠামোকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ডিএমপি বিভাজন: পুরো ঢাকা মহানগরকে দুইটি স্বতন্ত্র পুলিশ ইউনিটে ভাগ করার প্রস্তাব।
  • পৃথক কমিশনার: উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জন্য আলাদা আলাদা পুলিশ কমিশনার নিয়োগের আহ্বান।
  • আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন: জননিরাপত্তা জোরদার করতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ।
  • সাংবিধানিক দিক: বর্তমান কাঠামোর অকার্যকরতাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করার নির্দেশ চাওয়া হয়েছে।

এই রিটের মাধ্যমে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যা শহরের বর্ধিত চাহিদা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে।