ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিথ্যা মামলার তথ্য চাইলেন রুমিন ফারহানা, আইনমন্ত্রীর জবাব
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিথ্যা মামলা তথ্য চাইলেন রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিথ্যা মামলার তথ্য চাইলেন রুমিন ফারহানা

বিগত ১৭ বছরে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তীকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিথ্যা ও ভুয়া মামলার তথ্য জানতে চেয়েছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৫তম দিনে আইনমন্ত্রীর কাছে এই তথ্য জানতে চান তিনি।

সংসদে প্রশ্ন ও জবাব

রুমিন ফারহানা প্রশ্ন রেখে বলেন, “বিগত ১৭ বছরে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তীকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মিথ্যা ও ভুয়া মামলার মধ্যে কত সংখ্যক মামলা তদন্তে বা আদালতের রায়ে মিথ্যা বা ভিত্তিহীন প্রমাণ হয়েছে?” জবাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে বলেন, “মামলা দায়েরের সময় এজাহারে অভিযুক্তের দলীয় পরিচয় উল্লেখ থাকে না। ফলে কোন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কতগুলো হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ভুয়া মামলাগুলোর মধ্যে কত সংখ্যক মামলা তদন্তে বা আদালতের রায়ে মিথ্যা বা ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে— তার সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপণ করা সম্ভব নয়। এই সংক্রান্ত পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই।”

মামলা প্রত্যাহারের তথ্য

আইনমন্ত্রী আরও জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ নির্বাচনি এলাকায় দায়েরকৃত রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর মধ্যে এই পর্যন্ত সরাইল উপজেলায় ৪২টি এবং আশুগঞ্জ উপজেলায় ২৪টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ, মোট ৬৬টি মামলা প্রত্যাহারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনাটি সংসদীয় কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক হয়রানি ও মিথ্যা মামলা দায়েরের চিত্র তুলে ধরছে। রুমিন ফারহানার এই প্রশ্নটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের নাগরিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ