জুলাই আন্দোলন হত্যা মামলায় হারুনর রশীদ মুন্না ও কামরুল হাসান রিপনের দুই দিনের রিমান্ড
জুলাই আন্দোলন হত্যা মামলায় মুন্না-রিপনের দুই দিনের রিমান্ড

জুলাই আন্দোলন হত্যা মামলায় দুই নেতার রিমান্ড আদেশ

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে জুলাই আন্দোলনের সময় মো. পারভেজ মিয়া হত্যা মামলায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনের সাবেক এমপি প্রার্থী হারুনর রশীদ মুন্না এবং কামরুল হাসান রিপনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (১৫ এপ্রিল) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এই আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ও কারাগারে অবস্থান

গত ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৬টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার মালঞ্চ গলি এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারের পাশ থেকে মুন্নাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্যদিকে, ১৯ জানুয়ারি দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে সাধারণ জনগণ কামরুল হাসান রিপনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এরপর থেকে দুজনই কারাগারে রয়েছেন। মুন্না আওয়ামী লীগের যাত্রাবাড়ি থানার সাধারণ সম্পাদক এবং রিপন স্বেচ্ছাসেবক লীগ দক্ষিণ মহানগরের সভাপতি হিসেবে পরিচিত।

রিমান্ড আবেদন ও শুনানি প্রক্রিয়া

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানার এসআই নাজমুল হাসান তাদের সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। কয়েক দফা পিছিয়ে আজ বুধবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করা হয় এবং এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর হারুন অর রশীদ রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। অপরদিকে, আসামিদের পক্ষে ওবাইদুল ইসলামসহ কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের দুই দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার অভিযোগের বিবরণ

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন জুলাই আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী এলাকায় অংশ নেন পারভেজ মিয়া। বিকালে আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা কানীছ ফাতেমা গত ২৯ অক্টোবর যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা করেন। এই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে এখন মুন্না ও রিপনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, যা আইনী প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।