জুলাই আন্দোলনে ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় মেজর মাঞ্জিলের দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড আদেশ
জুলাই আন্দোলনে হত্যা মামলায় মেজর মাঞ্জিলের দ্বিতীয় রিমান্ড আদেশ

জুলাই আন্দোলনে ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় মেজর মাঞ্জিলের দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড আদেশ

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ডিবি পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম এই রিমান্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জামাল উদ্দিন মারজিন রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার ও পূর্ববর্তী রিমান্ডের ঘটনা

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তার চার দিনের রিমান্ডের আদেশ হয়। রিমান্ড শেষে সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে পুনরায় সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার।

আদালতে উভয় পক্ষের যুক্তি

রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর জামাল উদ্দিন মারজিন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি মামলার তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, আসামির পক্ষে অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থনা করেছিলেন। আদালত উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে শেষ পর্যন্ত তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার পটভূমি ও বিবরণ

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে নিউমার্কেটের নীলক্ষেত এলাকায় আন্দোলন চলাকালে গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। এ ঘটনায় তার শ্যালক আব্দুর রব নিউমার্কেট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়। মেজর মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরী এই মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই মামলাটি জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতার একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আদালতের এই রিমান্ড আদেশ তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন। মামলার পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি রাখা হচ্ছে।