শাহজালাল ও শাহআমানত বিমানবন্দরে কোটি টাকার সিগারেট ও ভ্যাপ জব্দ
বিমানবন্দরে কোটি টাকার সিগারেট ও ভ্যাপ জব্দ

বিমানবন্দরে শুল্ক গোয়েন্দার অভিযানে কোটি টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট এবং ভ্যাপ জব্দ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় এক কোটি টাকার পণ্য আটক হয়েছে বলে বিভাগীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে।

দুবাই ও শারজা থেকে আসা ফ্লাইটে তল্লাশি

শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ জানায়, ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে দুবাই থেকে আগত ফ্লাইট বিজি-১৪৮ এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে শারজা থেকে আগত ফ্লাইট জি-৯৫২৬ এর যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করা হয়। এ সময় দুই ফ্লাইট থেকে সুকৌশলে লুকিয়ে রাখা মোট ৬৪৪ কার্টুন অবৈধ সিগারেট জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সিগারেটগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৮ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জব্দ সিগারেট সংশ্লিষ্ট কাস্টম হাউসে জমা দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন, এ ধরনের অভিযান চোরাচালান রোধ ও রাজস্ব ফাঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভ্যাপ জব্দ ও পরীক্ষার ফলাফল

এছাড়াও ঢাকার কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারফ্রেইট ফরেইন পোস্ট সর্টিং অফিস থেকে ২০ কার্টুন পণ্য আটক করে কায়িক পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় আমদানি নিষিদ্ধ পাঁচ হাজার ৫৫০ পিস ভল্ট সুইচ ভ্যাপ পাওয়া যায়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭২ লাখ ১৫ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রতিবেদন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে পাঠানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের একজন মুখপাত্র বলেন, ভ্যাপ জাতীয় পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হওয়ায় এগুলো আমদানি নিষিদ্ধ রয়েছে

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চোরাচালান বিরোধী নিয়মিত অভিযান

শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ আরও জানিয়েছে, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর অর্থপাচার, অবৈধ আমদানি, চোরাচালান এবং রাজস্ব ফাঁকির বিরুদ্ধে সরকারের চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান সরকারের রাজস্ব ফাঁকি রোধ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও বৈধ বাণিজ্যে সহায়তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, ভবিষ্যতেও চোরাচালান ও অবৈধ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখা হবে

অভিযানের সফলতা সম্পর্কে শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেন:

  • গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে
  • জব্দকৃত পণ্যগুলোর মোট মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা
  • অবৈধ আমদানি রোধে এ ধরনের অভিযান জরুরি
  • জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভ্যাপ জব্দ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ

বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিমানবন্দরগুলোতে চোরাচালানের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।