সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সংশোধনী পাস, আওয়ামী লীগসহ দল নিষিদ্ধের ক্ষমতা পেল সরকার
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সংশোধনী পাস, দল নিষিদ্ধের ক্ষমতা পেল সরকার

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বড় সংশোধনী, সরকার পেল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের ক্ষমতা

জাতীয় সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ বিল-২০২৬ পাস হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ এই বিলটি উত্থাপন করেন। পরে সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়। এই সংশোধনীর ফলে সরকার এখন থেকে কোনো ব্যক্তি বা সত্তা অর্থাৎ রাজনৈতিক দল বা সংগঠনকেও সন্ত্রাসে জড়িত অভিযোগে নিষিদ্ধ করতে পারবে।

অনলাইন কার্যক্রমেও নিষেধাজ্ঞা

নতুন আইন অনুযায়ী, কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন বা দলের অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কার্যক্রম প্রচার করা যাবে না। এমনকি তাদের কোনো ধরনের প্রচারণা বা কার্যক্রম চালানো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ হবে। এই বিধানটি সাইবার স্পেসে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সহায়তা করলে কঠোর শাস্তি

সংশোধনীতে কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন বা দলকে অর্থ, আশ্রয় বা সহায়তা করলে কঠোর শাস্তির বিধান বাড়ানো হয়েছে। সরকারের মতে, এই পদক্ষেপ সন্ত্রাসী কার্যক্রমে অর্থায়ন ও লগিস্টিক সহায়তা বন্ধ করতে সহায়ক হবে। আইনটি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি প্রতিফলিত করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অধ্যাদেশ থেকে বিলে রূপান্তর

এর আগে, গত বছরের ১১ মে অন্তর্বর্তী সরকার সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধনে একটি অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করে। তখন সংসদ কার্যকর না থাকায় সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন। পরে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এখন সংসদে সেই অধ্যাদেশটি বিল আকারে পাস হয়েছে, যা আইনি বৈধতা পেয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনের প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

এই সংশোধনী পাসের ফলে সরকারের হাতে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার ব্যাপক ক্ষমতা এসেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি সন্ত্রাস দমনে কার্যকর হতে পারে, তবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপব্যবহারের আশঙ্কাও রয়েছে। আইনটি এখন থেকে সরাসরি প্রয়োগ করা যাবে এবং এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী তৎপরতা রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।