১৮ বছর পর গ্রেপ্তার: বন আইন মামলার দেড় বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু তাহের
১৮ বছর পর গ্রেপ্তার: দেড় বছরের সাজাপ্রাপ্ত আবু তাহের

১৮ বছর পর গ্রেপ্তার: বন আইন মামলার দেড় বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু তাহের

রাঙ্গামাটির কাউখালী উপজেলায় দীর্ঘ ১৮ বছর পর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন দেড় বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু তাহের প্রকাশ আবুইয়া। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শান্তিরহাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই গ্রেপ্তার কার্যক্রমে কাউখালী থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অংশ নেয়, যা দীর্ঘদিন ধরে চলা তদন্তের ফলাফল হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

দীর্ঘ পালিয়ে বেড়ানো এবং গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া

রাঙ্গামাটির আদালত থেকে সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য প্রবাসে চলে যায় আবু তাহের। প্রবাস থেকে ফিরে তিনি বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকেন, যা পুলিশের জন্য চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছিল। অবশেষে, দীর্ঘ ১৮ বছর পর কাউখালী থানা পুলিশ তার খোঁজ পায় এবং সফল অভিযানের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পরে তাকে রাঙ্গামাটির আদালতে সোপর্দ করা হয়, যেখানে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মামলার পটভূমি এবং পুলিশের বক্তব্য

পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ২০০৪ সালের একটি বন আইনের মামলায় আবু তাহেরকে ২০০৮ সালে রাঙ্গামাটির আদালত দেড় বছরের সাজা এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। আদালত থেকে সাজা হওয়ার সংবাদ পাওয়ার পর থেকেই তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন, যা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য একটি জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছিল। কাউখালী থানার অফিসার ইন-চার্জ এনামুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, 'দেড় বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী আবু তাহেরকে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্শ্ববর্তী চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শান্তির হাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে।' এই সাফল্য পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আসামির পরিচয় এবং স্থানীয় প্রভাব

গ্রেপ্তারকৃত আসামি আবু তাহের কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়ার ডলুছড়ি এলাকার নুরুল আমিনের সন্তান। তার গ্রেপ্তার স্থানীয় সম্প্রদায়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন ধরে এই মামলার নিষ্পত্তি প্রত্যাশা করছিলেন। এই ঘটনা আইনের শাসন এবং দীর্ঘমেয়াদী ফেরারি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের সক্ষমতা তুলে ধরেছে, যা ভবিষ্যতে অনুরূপ মামলাগুলোর জন্য একটি উদাহরণ হিসেবে কাজ করতে পারে।