আদালতে হট্টগোল: শিরীন শারমিনের রিমান্ড শুনানিতে বিচারকের সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষোভ
শিরীন শারমিনের শুনানিতে বিচারকের সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষোভ

আদালতে বিশৃঙ্খলা: শিরীন শারমিনের রিমান্ড শুনানিতে বিচারকের সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ

ঢাকার আদালতে সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড শুনানিকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে এ ঘটনা সংঘটিত হয়। বিকাল ৩টার পর শিরীন শারমিনকে এজলাসে তোলা হলে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর ও কারাগারে প্রেরণের আদেশ

শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে শিরীন শারমিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদেশ ঘোষণার পরপরই আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এজলাসের ভেতর হট্টগোল শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুরো পরিস্থিতিতে বিচারককে এজলাসে নির্লিপ্তভাবে বসে থাকতে দেখা গেছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

বিচারকের সাংবাদিকদের প্রতি ক্ষোভ ও সমালোচনা

একপর্যায়ে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়ে বিচারক আদালতে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি সাংবাদিকদের এজলাস থেকে বের করে দেন, যদিও তারা শুধুমাত্র তাদের কাজ করছিলেন। এ সময় মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন, কিন্তু তা সফল হয়নি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন আচরণে আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিস্ময় ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিচারিক পরিবেশে এমন পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে, যা আদালতের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া ও ঘটনার প্রভাব

এজলাসে উপস্থিত স্টার নিউজের স্টাফ রিপোর্টার তসলিম হোসেন রনি বলেন, "আদালতে চলমান বিশৃঙ্খলার মধ্যেই আমরা দায়িত্ব পালন করছিলাম। এ সময় হঠাৎ বিচারক সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন। ক্ষোভ প্রকাশ করে কর্মরত সাংবাদিকদের এজলাস থেকে বের করে দেন। ঘটনাটি আমাদের অবাক করেছে।"

এই ঘটনা আদালতের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার সম্পর্কে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আইনজীবীদের হট্টগোল এবং বিচারকের প্রতিক্রিয়া নিয়ে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে, যা বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন তুলে ধরেছে।