আজিজপুরে গুলিচালনার মামলায় সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কারাগারে
আজিজপুর গুলিচালনা মামলায় শিরীন শারমিন কারাগারে

আজিজপুরে ছাত্র আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিচালনার মামলায় সাবেক স্পিকার কারাগারে

ঢাকার একটি আদালত মঙ্গলবার সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আজিজপুর সরকারি কলোনিতে ছাত্র আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিচালনার মামলায় কারাগারে প্রেরণের আদেশ দিয়েছে। ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এই আদেশ জারি করেন, যখন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তাকে আদালতে উপস্থাপন করে দুই দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে।

রিমান্ড আবেদন প্রত্যাখ্যান ও কারাগারে প্রেরণ

গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক মোহসিন উদ্দিন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে মঙ্গলবার বিকেলে আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেন। তবে শিরীন শারমিনের পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আদালত রিমান্ড আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তাকে কারাগারে প্রেরণের সিদ্ধান্ত নেয়।

সাবেক স্পিকারকে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি বাসা থেকে আটক করা হয়। তাকে প্রায় দুপুর ২টার দিকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের লকআপে আনা হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার পটভূমি ও অভিযোগ

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় লালবাগ থানার অধীন আজিজপুর সরকারি কলোনির ভেতরে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা ও গুলিচালনা করা হয়। এই ঘটনায় আশরাফুল নামের একজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন।

২০২৫ সালের ২৫ মে, আহত ব্যক্তি মামলাটির বাদী হিসেবে শেখ হাসিনা, শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং আরও ১৩০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। শিরীন শারমিনকে মামলায় তৃতীয় আসামি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তদন্তের প্রাথমিক ফলাফল

প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবেক স্পিকার আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী মূল ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার দিনটিকে "সম্পূর্ণ শাটডাউন" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তার সিদ্ধান্ত থেকে সরাসরি ও পরোক্ষ নির্দেশনা সহিংসতায় অবদান রেখেছে।

আদালতের এই রায়ের পর এখন মামলাটির আইনি প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থাগুলো মামলাটির অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে।