সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ বাতিল: ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ
সহকারী এজি নিয়োগ বাতিল, ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগ

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ বাতিল: ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগে পদচ্যুতি

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবুল হাসানকে এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) আজ সোমবার এক প্রজ্ঞাপন জারি করে তাঁর নিয়োগ বাতিলের কথা নিশ্চিত করেছে।

ঘুষের অভিযোগে পদচ্যুতির কারণ

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, আবুল হাসানের বিরুদ্ধে একজন বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, একটি মামলায় স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আশ্বাসে এই বিপুল অর্থ গ্রহণ করা হয়েছিল।

আবুল হাসানকে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রজ্ঞাপনে তাঁর নিয়োগ বাতিলের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস দায়িত্ব গ্রহণের পর ৩১ মার্চ এই অভিযোগটি তাঁর দৃষ্টিগোচর হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগ তদন্ত ও পদত্যাগের প্রেক্ষাপট

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, "দায়িত্ব গ্রহণের পর অভিযোগের বিষয়ে আইনজীবী আবুল হাসানের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাঁর দেওয়া জবাব সন্তোষজনক ছিল না।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই অভিযোগটি আগেই অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে দাখিল করা হয়েছিল।

এই ঘটনার আগে ২ এপ্রিল সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আহমদ মুসাননা চৌধুরী ও মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন। তাঁরা উভয়েই ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের বর্তমান অবস্থা

ওই দুই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের সংখ্যা ছিল ২৩০ জন। অন্যদিকে, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের সংখ্যা ১০৩ জনে দাঁড়িয়েছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে গত ২৫ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। তিনি ২৯ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এই নিয়োগ বাতিলের ঘটনাটি আইন বিভাগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার গুরুত্বকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।