সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়েকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদালতের নির্দেশ
সুব্রত বাইনের মেয়েকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদালতের নির্দেশ

সুব্রত বাইনের মেয়েকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদালতের নির্দেশ

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট রাজধানীর ভাটারা থানায় করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালের একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন ওরফে বিথীকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এই আদেশ জারি করেন।

তদন্তে উসকানিমূলক ভূমিকার প্রমাণ

গত ১৭ মার্চ খাদিজাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) হাসানুজ্জামান। শুনানি নিয়ে আদালত আজ এই আদেশ দেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ভাটারার নতুনবাজার এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেন মো. সজিব খান। আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, যাতে তিনি আহত হন। এই ঘটনায় ভাটারা থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় খাদিজা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁকে উসকানিমূলক কথা বলতে দেখা গেছে। তদন্তে এমন তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়। তাই এই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে রাখার আবেদন জানানো হয়েছিল।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পূর্ববর্তী গ্রেপ্তার ও রিমান্ড

গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর খাদিজাকে কুমিল্লা থেকে আটক করে র‍্যাব। পরে তাঁকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাঁকে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় করা যুবদল নেতা আরিফ সিকদার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে একাধিক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের মে মাসে কুষ্টিয়া থেকে সুব্রত বাইন ওরফে ফতেহ আলী ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোল্লা মাসুদ ওরফে আবু রাসেল মাসুদকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী। এই ঘটনাগুলো সুব্রত বাইন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আদালতের এই নির্দেশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালের সহিংসতা তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। পুলিশ ও তদন্ত সংস্থাগুলো এখন খাদিজাকে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।