শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে সাবেক ডিআইজি জলিলের পরিকল্পনার প্রমাণ মিলেছে: প্রসিকিউশন
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ডিআইজি জলিলের পরিকল্পনার প্রমাণ

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে সাবেক ডিআইজি জলিলের পরিকল্পনার প্রমাণ মিলেছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছে, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনায় হত্যা ও নির্যাতনের পেছনে পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মন্ডলের পরিকল্পনার প্রমাণ পাওয়া গেছে। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন এবং বলেন, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত ঘটনাগুলোতে এখন পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে আরও কেউ নিহত হয়েছেন কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

গ্রেপ্তার ও কারাগারে প্রেরণ

এর আগে একই দিন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মন্ডলকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ হাজির করা হয়। প্রসিকিউশনের আবেদনের পর ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জানা যায়, গত বছরের ১৪ মে এই মামলায় আবদুল জলিল মন্ডলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। অবশেষে সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মামলার বিস্তারিত ও তদন্তের অগ্রগতি

মামলাটি শাপলা চত্বরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যা, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত। চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুতই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর বিচার কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। ডিআইজি জলিলের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তার সার্বিক পরিকল্পনায়ই ঘটনাগুলো ঘটেছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শাপলা চত্বরের ঘটনায় নিহতদের একটি তালিকা প্রায় প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারিত রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ