দীপু মনিকে তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো, আদালতে নিজেই দিলেন বক্তব্য
দীপু মনিকে তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো

দীপু মনিকে তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো, আদালতে নিজেই দিলেন জবাব

চাঁদপুরে চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলা এবং বিএনপি নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক তিনটি মামলায় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নান এ বিষয়ে নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামি দীপু মনি বর্তমানে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন। ভার্চ্যুয়াল যুক্ত হয়ে তিনি আদালতে হাজিরা দেন। ওই তিন মামলায় তাঁর পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। দীপু মনি নিজেই অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেন; দাবি করেন, ওই সব ঘটনায় তিনি জড়িত ছিলেন না।

তদন্ত কর্মকর্তাদের আবেদন মঞ্জুর

ওই তিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হলেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিন্টু দত্ত, উপপরিদর্শক (এসআই) নাদির শাহ্ ও উপপরিদর্শক (এসআই) নুরে আলম। তাঁরা তিনজন আদালতে আসামি দীপুকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানান। বিচারক তাঁদের আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলার (জিআর ৫৭৯) তদন্তকারী কর্মকর্তা নাদির শাহ্ বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি (বর্তমানে সংসদ সদস্য) শেখ ফরিদ আহমেদের বাসায় ২০২৪ সালে ১৮ জুলাই ও ৪ আগস্ট দুইবার ভাঙচুর, আগুন ও লুটপাট করা হয়। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১ নম্বর আসামি দীপু মনি। তাঁর নির্দেশে অন্য আসামিরা এই ঘটনা ঘটান। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ

আরেক মামলার (জিআর ৫৭১) তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্টু দত্ত বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট চাঁদপুর শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১ নম্বর আসামি দীপু মনির ইন্ধনে অন্য আসামিরা ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালান। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া আরেকটি মামলার (জিআর ৫৮৫) তদন্তকারী কর্মকর্তা নুরে আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ১ নম্বর আসামি দীপু মনির নির্দেশে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সড়ক ভবনের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন অন্য আসামিরা। ওই মামলায় দীপু মনিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দীপু মনি আদালতে তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, তিনি এসব ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই মামলাগুলো তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে এবং আসামিদের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এই ঘটনাগুলো এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানাচ্ছেন।