সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ৬ দিনের রিমান্ড
সাবেক এমপি মাসুদের ৬ দিনের রিমান্ড, ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলা

সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ৬ দিনের রিমান্ড আদেশ

ঢাকার একটি আদালত রোববার সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং মানব পাচারের মামলায় ছয় দিনের নতুন রিমান্ডে পাঠিয়েছে। ঢাকা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই আদেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদন

ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক রায়হানুর রহমান, যিনি এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। এর আগে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার পর এই আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন শুনে ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পূর্ববর্তী রিমান্ড ও গ্রেপ্তার

গত মঙ্গলবার ঢাকার আরেকটি আদালত মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠায়। তিনি ৫এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামক একটি নিয়োগ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ডিবি পুলিশের একটি দল সোমবার দের রাতে বারিধারা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

একাধিক মামলা ও তদন্ত চলমান

ডিবি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত মোট ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও, দুর্নীতি দমন কমিশন (এসিসি) এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তদন্ত করছে।

ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বনানী, পল্টন, কোটয়ালী, মিরপুর এবং হাতিরঝিল থানায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত। এসব মামলায় গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, যেমন হত্যা, হত্যার চেষ্টা, মানব পাচার এবং অর্থ পাচার

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মানব পাচার মামলার বিস্তারিত

ডিবি প্রধান আরও উল্লেখ করেন যে, মানব পাচারের মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী তৃতীয় অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছেন। এই মামলায় মোট ১০১ জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আফিয়া ওভারসিজের মালিক আলতাব খান গত ৩ সেপ্টেম্বর পল্টন থানায় ১০১ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেন।

এই ঘটনাটি দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সক্রিয় তদন্ত এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও তদন্ত চলমান থাকায়, ভবিষ্যতে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।