নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল রবিবার সতর্ক করে বলেছেন যে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের কিছু আইন কর্মকর্তা অভিযোগ অনুযায়ী ব্যবসায়িক ও অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত রয়েছেন। তিনি তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রথম দিনের কর্মকাণ্ড
নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল তার প্রথম কর্মদিবসে সকাল প্রায় ১১টায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং সিনিয়র আইনজীবীদের সাথে নামাজ আদায় করেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন।
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নিরপেক্ষতা
ব্যারিস্টার কাজল উল্লেখ করেন যে, যদিও তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিএনপির আদর্শকে সমর্থন করেন, তবে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তার কাজে রাজনৈতিক আনুগত্য প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, "আমি রাষ্ট্র ও জনগণের জন্য নিরপেক্ষভাবে কাজ করব। আমার অধীনে কোনও লবিং বা দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।"
তথ্যের অবাধ প্রবাহ ও সতর্কতা
তথ্য প্রবাহের বিষয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, "আমি তথ্যের অবাধ প্রবাহে বিশ্বাসী, তবে ভুল তথ্য ছড়ানো রোধে সতর্কতা প্রয়োজন, যার মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি বিষয়বস্তুও অন্তর্ভুক্ত।"
সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার
সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন যে, তিনি প্রধান বিচারপতির সাথে আলোচনা করবেন এবং তার অনুরোধ বিবেচনা করা হবে বলে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।
আইন পেশার জন্য দৃষ্টিভঙ্গি
অ্যাটর্নি জেনারেল আইন পেশার জন্য তার দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেন, ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত না হওয়ার গুরুত্বের উপর জোর দেন। তিনি বলেন, তিনি তরুণ আইনজীবীদের দ্রুত বার কাউন্সিল পরীক্ষা সম্পন্ন করে অনুশীলনকারী আইনজীবী হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করতে চান।
ব্যারিস্টার কাজলের বক্তব্য অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের মধ্যে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতিকে প্রতিফলিত করে।



