মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মামুন খালেদের গ্রেপ্তার আবেদন
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় দুই অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলের গ্রেপ্তার আবেদন

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় দুই অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার আবেদন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-২-এ মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক দুটি মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। প্রসিকিউশন বা রাষ্ট্রপক্ষ এই আবেদন করেছে বলে রোববার সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।

মামলার অভিযোগ ও গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া

গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম জানান, জুলাই গণহত্যার অভিযোগে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে এবং গুমের অভিযোগে শেখ মামুন খালেদকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পৃথক আবেদন করা হয়েছে। এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গত সোমবার রাতে তাঁর ঢাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি বা গোয়েন্দা পুলিশ। পরে পল্টন থানার মানব পাচার–সংক্রান্ত একটি মামলায় গত মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় ডিবি।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, মানব পাচার মামলার পাশাপাশি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে এক-এগারোর সময়কার ভূমিকার বিষয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গত বুধবার গ্রেপ্তার করে ডিবি। মিরপুর থানার জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকালের একটি হত্যা মামলায় পরদিন বৃহস্পতিবার তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ডিবি হেফাজতে তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের অগ্রগতি

ডিবি সূত্র জানান, রিমান্ডে থাকা আরেক সাবেক সেনা কর্মকর্তা শেখ মামুন খালেদকে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মামলার বিষয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ক্ষমতা ব্যবহার করে অপরাধ করার সক্ষমতা তাঁর ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব বিষয়ে তাঁর কাছ থেকে জানতে চাওয়া হবে বলে ডিবি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনাটি আইন ও বিচার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার ও তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। প্রসিকিউশনের আবেদন ট্রাইব্যুনালে গৃহীত হলে আইনি প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।