সাবেক ডিজিএফআই প্রধান শেখ মামুন খালেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
সাবেক ডিজিএফআই প্রধান শেখ মামুন খালেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড

সাবেক ডিজিএফআই প্রধান শেখ মামুন খালেদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

মিরপুর মডেল থানায় নিহত দেলোয়ার হোসেনের হত্যা মামলায় সাবেক ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই) প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি আদালত এই আদেশ প্রদান করে।

আদালতের আদেশ ও রিমান্ড আবেদন

ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মো. সিদ্দিক আজাদের আদালত তদন্ত কর্মকর্তার জমা দেওয়া রিমান্ড আবেদন পরীক্ষা করে এই আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর কফিল উদ্দিন রিমান্ড আবেদনটি জমা দিয়েছিলেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখিত অভিযোগ

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে মিরপুর-১০ এর ফালপট্টি এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সময় প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ আওয়ামী লীগ নেতা ও কর্মী ছাত্র ও সাধারণ জনতাকে ফায়ারআর্ম ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, শেখ মামুন খালেদ এই হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হত্যার শিকার দেলোয়ার হোসেন

এই গুলিবর্ষণে মারাত্মকভাবে আহত দেলোয়ার হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। রিমান্ড আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, হত্যার পরিস্থিতি উন্মোচন, অন্যান্য সন্দেহভাজনদের শনাক্ত ও গ্রেফতার, অজ্ঞাত ব্যক্তিদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য অভিযুক্তকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রেফতার ও পূর্ববর্তী ঘটনা

এর আগে, বুধবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর ডিওএইচএস এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ডিবি পুলিশ শেখ মামুন খালেদকে গ্রেফতার করে। এই গ্রেফতারের পরই তাকে আদালতে হাজির করা হয় এবং রিমান্ড আবেদন জমা দেওয়া হয়। আদালতের এই সিদ্ধান্তে তদন্ত প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

এই মামলাটি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত করেছে। আদালতের রিমান্ড মঞ্জুরের পর এখন পুলিশের তদন্ত কার্যক্রম কতটা অগ্রসর হয়, তা সবার নজরে থাকবে।