চাঁদার দাবিতে তরমুজ ব্যবসায়ীকে মারধর: দুই যুবক গ্রেপ্তার, একজন পলাতক
চাঁদার দাবিতে এক তরমুজ ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনায় আরেকজন পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
মামলার পটভূমি
২৪ মার্চ মঙ্গলবার তরমুজ বিক্রেতা আবু বকর সিদ্দিক থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। তিনি বগুড়া জেলার গাবতলী থানার নেপালতলী ইউনিয়নের বুরুজ গ্রামের মৃত ভেদা চন্দ্রর ছেলে। মামলায় তিন আসামির নাম উল্লেখ করা হয়।
গ্রেপ্তার ও পলাতকদের পরিচয়
গ্রেপ্তার দুই যুবক হলেন ধল্লা লক্ষীপুর গ্রামের আকবর মিয়ার ছেলে মো. ফরিদুল ইসলাম (২৫) ও মৃত ইস্রাফিল মিয়ার ছেলে মো. কিয়ামুদ্দিন। এছাড়া দক্ষিণ ধল্লা চরপাড়া গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে মো. সুজন মিয়া (৩৫) পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আবু বকর সিদ্দিক সাভারের হেমায়েতপুর এলাকায় বাসা ভাড়া থেকে সিংগাইর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্যান গাড়িতে করে তরমুজ বিক্রি করেন। ঘটনার দিন বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ধল্লা লক্ষীপুর জামে মসজিদের সামনে তিনি তরমুজ বিক্রি করছিলেন।
এ সময় অভিযুক্ত তিন যুবক তার কাছে তরমুজ বিক্রির ৯ হাজার টাকা চাঁদা হিসেবে দাবি করেন। তিনি রাজি না হলে তাকে মারধর করা হয়। স্থানীয়রা তাদের আটক করে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তিন জনকে আটক করলেও একজন পালিয়ে যায়।
পুলিশের বক্তব্য
একজন পালিয়ে যাওয়া এবং দুই জনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিংগাইর থানার ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। বুধবার দু’জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এই ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই ঘটনা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানানো হচ্ছে। পুলিশ পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।



