বৈশ্বিক জালিয়াতি সম্মেলনে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ
বৈশ্বিক জালিয়াতি সম্মেলনে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বর্তমানে 'গ্লোবাল ফ্রড সামিট ২০২৬'-এ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন, যেখানে তিনি দুটি উচ্চপর্যায়ের সেশনে প্যানেল স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সম্মেলনের বিস্তারিত বিবরণ

দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনটি ১৬ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করছে জাতিসংঘের ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম অফিস এবং ইন্টারপোল, ভিয়েনা আন্তর্জাতিক কেন্দ্রে।

বাংলাদেশের ভূমিকা ও উপস্থাপনা

সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে জালিয়াতি ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের প্রকৃতি তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও উদ্যোগসমূহ বিশদভাবে বর্ণনা করবেন। তিনি জালিয়াতি প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা এবং কৌশল বিশ্ব নেতাদের সামনে উপস্থাপন করবেন।

বৈশ্বিক নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও কৌশলে বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছেন। একইসাথে, জালিয়াতির বিরুদ্ধে সহযোগিতা জোরদার করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত অঙ্গীকারও এখানে জোরালোভাবে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কর্মসূচি ও অংশগ্রহণ

সালাহউদ্দিন আহমেদ ইতিমধ্যে সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি আজ দুটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। প্রথমটি হলো 'গ্লোবাল ফ্রড রেসপন্স মেকানিজম' শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের রাউন্ডটেবিল এবং দ্বিতীয়টি হলো 'জালিয়াতি প্রতিরোধে জাতীয় অঙ্গীকার/প্রতিশ্রুতি' শীর্ষক বিশেষ অধিবেশন।

সম্মেলনের পাশাপাশি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জন ব্র্যান্ডোলিনো এবং লর্ড হ্যানসনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও পরিচালনা করবেন বলে নির্ধারিত রয়েছে।

যাত্রা ও প্রত্যাবর্তনের সময়সূচি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ১৫ মার্চ ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভিয়েনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন। তিনি ২০ মার্চ ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে তুর্কি এয়ারলাইন্সে করে ঢাকায় ফিরে আসার কথা রয়েছে।

এই সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জালিয়াতি প্রতিরোধ প্রচেষ্টার স্বীকৃতি ও গুরুত্বকে আরও সুদৃঢ় করছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।