ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আপেল মাহমুদকে কারাগারে পাঠানোর আদালতের নির্দেশ
ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আপেল মাহমুদ কারাগারে

ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আপেল মাহমুদকে কারাগারে পাঠানোর আদালতের নির্দেশ

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আপেল মাহমুদকে (৩৭) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার (৭ মার্চ) বিকালে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে হাজির ও কারাগারে প্রেরণ

এদিন বিকালে আপেল মাহমুদকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে, আদালতের সময় না থাকায় এ মামলার শুনানি হয়নি। পরবর্তীতে শাহবাগ থানায় হওয়া সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার হওয়া আপেল মাহমুদকে কারাগারে পাঠানো হয়।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

মামলার অভিযোগ ও ঘটনার বিবরণ

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ৬ মার্চ সকালে শাহবাগ থানাধীন গোলাপশাহ মাজার সংলগ্ন মসজিদের প্রধান ফটকের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও উসকানিমূলক স্লোগান দিতে থাকেন।

খবর পেয়ে সেখানে পুলিশের একটি দল অভিযান চালালে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় ধাওয়া দিয়ে আপেল মাহমুদকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। তবে, বাকিরা কৌশলে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলা দায়ের

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পলাতক আসামিদের নির্দেশে ও আর্থিক সহায়তায় তারা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের উদ্দেশে সেখানে জড়ো হয়েছিলো।

এ ঘটনায় শনিবার আসামিদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানার এসআই তৌফিক হাসান বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে।

আদালতের এই সিদ্ধান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছেন, এটি ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখবে।