পুলিশের কাজে অবৈধ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
পুলিশের কাজে অবৈধ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

পুলিশের কাজে অবৈধ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, কেউ যদি পুলিশের কাজে অবৈধভাবে বাধা বা হস্তক্ষেপ করে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজনৈতিক বা সামাজিকভাবে বাধা দেওয়া যাবে না

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক হোক কিংবা সামাজিক, কেউ পুলিশের বৈধ কাজে বাধা দিতে পারবে না। পুলিশের কার্যক্রমও নজরদারি করা হবে যেন জনগণের কোনো ভোগান্তি না হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু—এ কথা মুখে বলার পাশাপাশি বাস্তবে সেই বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ শুরু করা হয়েছে।

পুলিশ সংস্কারের অঙ্গীকার

এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে নানা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে পুলিশসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে পুলিশি ব্যবস্থা ছাড়া সমাজ টিকবে? অতএব আমরা পুলিশকে সংস্কার করতে চাই এবং তাদের মনোবল বৃদ্ধির মাধ্যমেই সেই সংস্কার সম্ভব। আমরা সেই কাজটাই করছি।’

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ে শুধু পুলিশ নয়, এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নেই যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড়াতে হচ্ছে। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জনগণের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করতে হবে। সেই মোটিভেশনাল ওয়ার্কটা আমরা করছি।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পরিকল্পনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি বিভিন্ন বিভাগে গিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন, তাদের সাহস জোগাবেন এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার দিকনির্দেশনা দেবেন। পেছনের দিকে না তাকিয়ে সামনের দিকে লক্ষ্য রেখেই এগিয়ে যেতে চাই—এমনটাই বলেছেন তিনি।

এই বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন, যেখানে পুলিশের কার্যক্রম ও সংস্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য পুলিশ বাহিনীর স্বাধীনতা ও দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।