বাসস নিয়োগ বিতর্কে তথ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া: বিধিবদ্ধ নিয়মেই সমাধান হবে
বাসস নিয়োগ বিতর্ক: তথ্যমন্ত্রী বললেন বিধিবদ্ধ নিয়মে সমাধান

বাসস নিয়োগ বিতর্কে তথ্যমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া: বিধিবদ্ধ নিয়মেই সমাধান হবে

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন স্পষ্ট করে বলেছেন যে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার নিয়োগ এবং চাকরি সংক্রান্ত সকল বিষয় বিধিবদ্ধ নিয়মের মধ্যেই বিবেচনা করা হবে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন এবং সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে দুঃখজনক বলে আখ্যায়িত করেন।

সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ

এর আগে, গতকাল সাংবাদিক ও কর্মচারীদের অনাস্থা জ্ঞাপনের পর সংবাদমাধ্যমটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদকে অফিস থেকে বের হয়ে যেতে হয়। এই ঘটনার পাশাপাশি টিভির কয়েকজন রিপোর্টারের চাকরিচ্যুতির প্রসঙ্গেও আলোচনা উঠে আসে।

সাংবাদিকদের জবাবে জহির উদ্দিন বলেন, বাসসে ঘটে যাওয়া যে দুঃখজনক ঘটনা, সেটাও আলাপ-আলোচনার সাপেক্ষে আমরা বিধি-বিধান অনুযায়ী সমাধান বের করবো। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত যে মিডিয়া হাউজে সমস্যা হয়েছে, সম্ভবত এখন টিভিতে। এটাও কেবল শুনেছি। সংশ্লিষ্ট যারা, সংক্ষুব্ধ যে কয়জন এবং এখন টিভির মালিক পক্ষ, আমি উভয়ের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টা একটু ভালো করে বুঝে সমঝোতার মধ্যে সমাধান করা যায় কিনা উদ্যোগ নেব

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিধিবদ্ধ পদ্ধতির গুরুত্ব

তথ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, এমন মনে করার কারণ নেই যে মব করলেই সবকিছুর সমাধান হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আমরা বারবারই বলছি আমরা একটা প্রতিহিংসামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কাজে হাত দিয়েছি এবং অবশ্যই আমরা সাংবিধানিক পদ্ধতির মধ্যে কিন্তু দাঁড়িয়ে আছি

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আপনারা দেখেছেন জাতীয় সংসদে শপথ অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয়েও আমরা কিন্তু সংবিধান নির্দেশিত পথের বাইরে যাইনি। অতএব, দেশ থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান যেখানেই যাই না কেন, আমরা চেষ্টা করবো সবসময় বিধি-বিধানের মধ্যে যেতে। বিধি-বিধানের বাইরে আমরা কোনো কিছুকেই বাস্তবায়ন করতে দেবো না।

এই বক্তব্যে সরকারের বিধিবদ্ধ নিয়মের প্রতি অঙ্গীকার এবং সাংবিধানিক পদ্ধতির গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে সকল সমস্যা আলোচনা ও বিধি-বিধানের মাধ্যমে সমাধান করা হবে, যা একটি প্রতিহিংসামুক্ত সমাজ গঠনের দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।