জুলাই জাতীয় সনদ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের
জুলাই জাতীয় সনদ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে রিট

জুলাই জাতীয় সনদ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের

জুলাই জাতীয় সনদকে অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়েছে। এই রিটে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

রিট দায়েরের বিস্তারিত বিবরণ

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, আগামী সপ্তাহে রিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির শুনানি হতে পারে।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে। এই পদক্ষেপটি জুলাই জাতীয় সনদের আইনি বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।

গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ সংক্রান্ত অন্যান্য রিট

এদিকে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবিএম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এই রিট দায়ের করেন।

এই রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। গণভোটের প্রক্রিয়া ও ফলাফল নিয়ে আইনি বিতর্কের নতুন মাত্রা যোগ করেছে এই আবেদন।

গণভোটের ফলাফলের পরিসংখ্যান

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ

গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে অর্থাৎ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার। অন্যদিকে, বিপক্ষে অর্থাৎ ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন ভোটার। এই ফলাফল সত্ত্বেও, গণভোটের আইনি বৈধতা নিয়ে চলমান রিটগুলি দেশের রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।