ঢাকা বার ইউনিটের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত: আইনজীবী অধিকার পরিষদ একক প্যানেলে নির্বাচনে অংশ নেবে
ঢাকা বার ইউনিটের সিদ্ধান্ত: একক প্যানেলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ

ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে একক প্যানেলে অংশ নেবে আইনজীবী অধিকার পরিষদ

ঢাকা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে এককভাবে অংশগ্রহণের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ আইনজীবী অধিকার পরিষদের ঢাকা বার ইউনিট। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পুরোন ঢাকার একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সংগঠনটি এ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি

ঢাকা বার ইউনিটের আহবায়ক অ্যাডভোকেট মো. মমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান। সভায় অ্যাডভোকেট শেখ শওকত হোসেন, আইন সম্পাদক গণঅধিকার পরিষদ, অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ ইউসুফ ও অ্যাডভোকেট ফারিদ উদ্দিন প্রমুখ বিশিষ্ট আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

আহবায়কের বক্তব্য: দীর্ঘদিনের নির্বাচন বিহীন সংস্কৃতির বিরুদ্ধে লড়াই

আইনজীবী অধিকার পরিষদ ঢাকা বার ইউনিটের আহবায়ক অ্যাডভোকেট মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, "৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন বিহীন যে সংস্কৃতি চালু হয়েছে, সেটার নিরসনে আইনজীবী অধিকার পরিষদের নেতৃত্বে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ ও আলাদা আইনজীবী ঐক্য প্যানেল দেওয়ার বিষয়ে আমরা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা নির্বাচনে এককভাবে প্যানেল দিয়ে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"

সাধারণ সম্পাদকের দৃষ্টিভঙ্গি: দ্রুত নির্বাচনের জন্য চলমান প্রচেষ্টা

সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বলেন, "আমরা আইনজীবী অধিকার পরিষদ বিগত কয়েক মাস আগেই দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার বিষয়ে স্মারকলিপি দিয়েছিলাম। এখনও দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার জন্য সাধারণ আইনজীবীদেরকে উদ্বুদ্ধ করে যাচ্ছি। আমরা বার ও বেঞ্চের মধ্যে সমন্বয় করার জন্য একটি কার্যকরি আইনজীবী নেতৃত্ব উপহার দিতে আমাদের আইনজীবী ঐক্য প্যানেল কাজ করে যাবো।"

প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক পদে ইচ্ছা প্রকাশ

প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ইচ্ছা পোষণ করে অ্যাডভোকেট শেখ শওকত হোসেন বলেন, "আইনজীবী অধিকার পরিষদ শুধু আইনজীবীদের অধিকার নিয়েই কাজ করবে এমন নয়। বরং ন্যায় বিচার ও আইনের শাসন ও সুষ্ঠু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রনী ভুমিকা পালন করবে।"

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আইনজীবী সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন রাজনৈতিক গতিশীলতা সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ঢাকা বার ইউনিটের এ পদক্ষেপ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।