ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অফিস সহায়ক মো. রাব্বুল মিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ে সনদের কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক আইনজীবীর কাছ থেকে অবৈধ অর্থ গ্রহণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের তথ্য
সোমবার (১১ মে) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঘটনার বিবরণ
জানা গেছে, আজ (১১ মে) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের হাইকোর্ট পারমিশন মৌখিক পরীক্ষার নিমিত্ত নিম্ন আদালতের সাময়িক সনদ বিতরণ/উত্তোলন কার্যক্রম চলাকালীন দ্রুত সময়ে সনদের কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করে এক বিজ্ঞ আইনজীবীর নিকট হতে মো. রাব্বুল মিয়া অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ তথা উৎকোচ গ্রহণ করেন। অভিযোগটি বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
আজ (সোমবার) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের হাইকোর্ট পারমিশন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নিম্ন আদালতের সাময়িক সনদ বিতরণ কার্যক্রম চলাকালে ওই কর্মচারী দ্রুত কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক আইনজীবীর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
অভিযোগটিকে গুরুতর অসদাচরণ, দায়িত্বে অবহেলা এবং প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও মর্যাদার পরিপন্থি হিসেবে উল্লেখ করে বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের নির্দেশে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে তাকে কেন স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না, সে বিষয়ে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী মূল বেতনের অর্ধেক খোরাকি ভাতা পাবেন।



